সাহস থাকলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেখান, দিলীপ ঘোষকে চ্যালেঞ্জ ব্রাত্য বসুর

ফোর্থ পিলার

এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন ব্রাত্য বসু। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, মন্ত্রীরা এখন প্রতিদিনই সাংবাদিক সম্মেলন করছেন। গতকাল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। এদিন ব্রাত্য বসু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। ব্রাত্য বসু বলেন, “সাহস থাকলে এখানে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করে দেখান দিলীপবাবু।”

রাজ্য বিজেপি দীর্ঘ সময় ধরেই পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৬ ধারা বলবৎ করার কথা বলে আসছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা কার্যত নেই। একের পর এক বিজেপি কর্মী, সমর্থক খুন হয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে প্রায়শই রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানায় বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর একইভাবে মাঝেমধ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা বলেছেন। সেই সব কিছুকেই এদিন কার্যত চ্যালেঞ্জ করেছেন ব্রাত্য বসু।

ব্রাত্য বসু বলেছেন, “বিজেপি চাইছে বহিরাগতদের দিয়ে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমাদের মাথা নত করে থাকতে হবে? আমাদের বাঙালি জাতির কি দুর্দশা এসেছে!” শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ বিরসা মুণ্ডার কথাও উঠেছে এই প্রসঙ্গে। ব্রাত্য বসু বলেন, “বহিরাগতরা বাংলাদেশের ঘোরাফেরা করছে। যারা রবীন্দ্রনাথ, বিরসা মুণ্ডাকে চেনে না। বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মধ্যে দিয়ে এইসব তাণ্ডবের পরম্পরা দেখিয়েছে তারা।” তিনি বলেন “কেউ যদি এসে আমাদের বাঙালি মনীষীদের অপমান করেন, তাহলে ছেড়ে দেব না। যে সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার কথা চলছে তা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।” ব্রাত্য বসু মনে করেন বাংলার মানুষ এর যথাযোগ্য জবাব দেবে।

রাজ্যে বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদের মন্ত্রী নেই। এই নিয়ে কটাক্ষ করেছেন ব্রাত্য বসু। তাঁর বক্তব্য,” বাংলা থেকে কোনও পূর্ণ ক্যাবিনেট মন্ত্রী নেই কেন? অথচ মমতা সরকার ক্ষমতায় আসার পরে মতুয়া সংঘ থেকে একজন পূর্ণ ক্যাবিনেট মিনিস্টার শপথ নিয়েছেন। দলিতদের নিয়ে রাজনীতি করলেও মন্ত্রিসভায় তাদের ঠাঁই নেই।” রাজ্য থেকে বিজেপি ১৮ টি আসন পেয়েছে লোকসভায়। কিন্তু তাদের কোনও গুরুত্ব নেই বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।