সুখী গৃহকোণে দাম্পত্যের সতেজতা, পরীক্ষায় পাশ না হলে করা যাবে না বিয়ে

ফোর্থ পিলার

দুজনে একে অপরকে অন্তরতে ভালোবাসেন। থাকার জন্য তারা সম্পূর্ণরূপে তৈরি। কিন্তু ভালবাসলেই যে থাকতে পারবেন, তার কোনও নিশ্চয়তা কে দিতে পারে! কে বলতে পারে আগামী দু’মাস পর তাদের ঝগড়া হবে না? ভালোবাসলেই যে থাকতে পারবেন তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। আচ্ছা সুখী দাম্পত্যের কি কোনও চাবিকাঠি আছে? যা দিয়ে আগাগোড়া একটি সংসারকে সতেজ রাখা যায়? যেখানে কথায় ভেঙে যাচ্ছে সুখী গৃহকোণ।

আর সেখানেই নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইন্দোনেশিয়া সরকার। বিয়ের আগে ‘প্রি ওয়েডিং কোর্স’ করতে হবে বিবাহে ইচ্ছুক ছেলে -মেয়েকে। তিন মাসের এই কোর্সের পর হবে পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় পাশ করলে তবেই মিলবে শংসাপত্র। আর সেই শংসাপত্র হল বিয়ের পিঁড়িতে বসবার জন্য আসল ছাড়পত্র। আগামী বছর ২০২০ সাল থেকে এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার।

হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স কোঅর্ডিনেটিং বিভাগের পক্ষ থেকে এই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সব দিক খতিয়ে দেখেই। এই কোর্সের সব খরচ বহন করবে দেশের সরকার। সাধারণ মানুষকে কোনও অর্থ দিতে হবে না। শুধু মন দিয়ে বুঝতে হবে সুখী দাম্পত্যর রহস্য। পরীক্ষায় একবার নয় দশ বার পড়তে পারেন। কিন্তু পাশ না করলে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারবেন না কোনও যুগল।

কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা অত্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। মামলা চলছে বহু আদালতে। একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করার পরেও দেখা যাচ্ছে তারা বিবাহবিচ্ছেদের জন্য তৈরি। দাম্পত্য কলহ মেটানো ও বৈবাহিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করার লক্ষ্যেই ইন্দোনেশিয়ার সরকার এই নতুন চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। শেখানো হবে কি করে দাম্পত্য জীবনকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা যায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।