১৩ জনের থেকে ৮৩ লক্ষ টাকা, চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

ফোর্থ পিলার

চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কের বিরুদ্ধে। ধুপগুড়ির বিধায়ক মিনতি রায়ের নামে এই অভিযোগ উঠেছে। এক যুবক এই অভিযোগ করেছেন। ১৩ জনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছেন বিধায়ক। মোট ৮৩ লক্ষ টাকা তিনি প্রতারণা করেছেন। এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

জেলা তৃণমূল কংগ্রেস এখনও এই বিষয় নিয়ে পরিষ্কার কোনও মতো মন্তব্য দেয়নি। অভিযোগ সঠিক নয়। দাবি করেছেন তিনি। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এই বিষয়টি জানিয়েছেন। এ কথা বলেছেন বিধায়ক। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, মাঝারি মাপের নেতাদের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

শহরতলি ও গ্রামে প্রচুর ঘটনা গত চার বছরে দেখতে পাওয়া গিয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকা দিলে চাকরি সহজে হাতের মুঠোয় চলে আসবে। এই দাবি তৃণমূল নেতারা করতেন। মিনতি রায় বলেন, “আমার কিছু বলার নেই। দল দেখছে। দল যা সিদ্ধান্ত নেমে মেনে চলব। পার্টি থেকে আমাকে কেউ কিছু বলেনি। গতকালও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। এটা নিয়ে আমি কথা বলব। আমার কোনও অসুবিধা নেই।”

প্রচুর যুবক ও পরিবার এইভাবে টাকা দিয়ে শেষ পর্যন্ত চাকরি পাননি। এই ঘটনা রাজ্যে ভুরিভুরি রয়েছে। তদন্ত চলছে বহু ক্ষেত্রে। বিধায়কের বিরুদ্ধে সরাসরি এর আগে অভিযোগ ওঠেনি। এবার উঠল। এক যুবক এই অভিযোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা তিনি দিয়েছিলেন। বিধায়ক মিনতি রায় প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি করিয়ে দেবেন। এই কথা জানিয়েছিলেন। সেই বছর বিধাননগরের বিকাশ ভবনে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

একটি ইন্টারভিউ হয়েছিল তার। কিন্তু চাকরি আসেনি। পরে জানা গিয়েছিল সেই ইন্টারভিউ ছিল সাজানো। এরপর থেকে টাকার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু বিধায়কের কাছ থেকে কোনও টাকাও পাননি। চাকরিও পাওয়া যায়নি। পরবর্তী ক্ষেত্রে ওই যুবক জানতে পেরেছেন এমন বহু ঘটনা বিধায়ক ঘটিয়েছেন অনেকের সঙ্গে। যুবকের দাবি, ১৩ জনের কাছ থেকে ৮৩ লক্ষ টাকা নিয়েছেন মিনতি রায়। কেউ চাকরি পাননি আজ পর্যন্ত। ভোটের আগে এই অভিযোগে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি প্রচার শুরু করেছে এই বিষয়কে সামনে রেখে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।