৩৬ ঘণ্টা জ্বর আসেনি, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন ফেলুদা

ফোর্থ পিলার

চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। গত ৩৬ ঘণ্টা ধরে তার জ্বর আসেনি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে ধীরে ধীরে। বাইপ্যাপ থেকেও তাকে সরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। ফুসফুসের সমস্যা কমেছে কিছুটা। বেলভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে ফেলুদার। স্থিতিশীল রয়েছেন তিনি। তবে সঙ্কট থেকে এখনও তাকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। দ্রুত তার সুস্থতার চেষ্টা চলছে। অক্সিজেন স্যাচুরিটি এই মুহূর্তে ৯৭ শতাংশ। ফুসফুসের সংক্রমণ অত্যন্ত জটিল আকার নিয়েছিল। বাইপ্যাপে রাখা হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। আপাতত ৬ ঘন্টা দেওয়া হচ্ছে তাকে। ধীরে ধীরে বাইপ্যাল খুলে নেওয়ার চেষ্টা শুরু হবে। আইটিইউতে রয়েছেন তিনি এখনও। বুধবার রাতেও তিনি ভালো ঘুমিয়েছেন। স্নায়ুর সমস্যা কিছুটা কমতে শুরু করেছে।

বুধবার সন্ধ্যায় খবর এসেছিল করোনা ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে রিপোর্টে। চিকিৎসকরা আশাবাদী, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। শরীরে একাধিক কোমর্বিডিটি রয়েছে। সেই অসুস্থতা ধীরে ধীরে কেটে যাবে। শরীরে রক্তচাপও এই মুহূর্তে স্বাভাবিক। হার্টবিট নির্দিষ্ট গতিতে রয়েছে।

সোডিয়ামের পরিমাণ শরীরে বেড়ে গিয়েছে। সেটি কমাতে হবে। মূত্রনালীতে সংক্রমণ ও ইকোলাই – এর প্রভাব তৈরি হওয়ার জন্যই সোডিয়াম বেড়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত এই সমস্যাগুলি থেকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বেরিয়ে আসতে সক্ষম হবেন।

মিউজিক থেরাপি চলছে সৌমিত্রবাবুর। খিটখিটে ভাব থেকে তাকে অবিলম্বে বের করে আনতে হবে। গত ৫ অক্টোবর করোনা ভাইরাস টেস্ট হয়েছিল তার। ৬ অক্টোবর রিপোর্ট আসে করোনা পজিটিভ। তারপর থেকে তিনি বেলভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ১৪ দিন ধরে তীব্র টানাপোড়েন গিয়েছে তাকে নিয়ে। ১৪ দিন পর করোনা ভাইরাস টেস্ট করা হয়েছিল। তিনি জয় করেছেন করোনাকে। উদ্বেগ কিছুটা কেটেছে। তবে এখনও যথেষ্ট দুশ্চিন্তা থাকছে শরীর নিয়ে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।