৩ লক্ষ নয়, ১ লক্ষ ৯১ হাজার টিকা দেওয়া হল দেশজুড়ে

ফোর্থ পিলার

প্রথম দিন গোটা দেশে ৩ লক্ষ করোনা ভাইরাস টিকা দেওয়ার কথা ঠিক হয়েছিল। কিন্তু সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যায়নি। প্রথম দিনের শেষে এক লক্ষ ৯১ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই কথা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন দিনের শেষে বলেন, অনেকটাই হালকা বোধ করছেন তিনি। উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

ভারতবর্ষের টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, পৃথিবীর সব থেকে বড় টিকাকরণ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আজ শনিবার থেকে দেশের ৩০০০ কেন্দ্র টিকাকরণের জন্য স্থির হয়েছিল। সেখানে শনিবার বেলা সাড়ে ১০ টার পর থেকে টিকা দেওয়া শুরু হয়। দিল্লির এইমস হাসপাতালে দেশের প্র‍থম টিকা নিয়েছেন সাফাইকর্মী সুশীল কুমার। স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় প্রথমে ব্যক্তিদের। তারপর টিকা দেওয়া হয়। টিকা নেওয়ার পর সেই ব্যক্তিকে ৩০ মিনিট অবজারভেশন রুমে রাখা হয়। এই নিয়ম প্রত্যেকের ক্ষেত্রে মেনে চলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, দুটি ডোজ নিতে হবে এই করোনা টিকায়। প্রথমটি নেওয়ার পর দ্বিতীয়টি না নিলে টিকার কোনও কার্যকারিতা সম্পূর্ণ হবে না। করোনা প্রোটোকল মানতে হবে। সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরতে হবে। সবসময় যাতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা হয়, সেটিও নজর রাখতে হবে। করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে গুজব চলতে পারে। সেগুলিকে কানে নেওয়া যাবে না। অন্ধ কুসংস্কার যাতে ছড়িয়ে না পড়ে। সে কথা দেখার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ভারতে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন নামে দুটি ভ্যাকসিন এসেছে। চলতি বছরে ৩০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। একথা বলা হচ্ছে। প্রথম দফায় তিন কোটি মানুষকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের আগে টিকা দেওয়া হচ্ছে। সাফাইকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক, নার্সদের টিকা দেওয়া হচ্ছে এই দফায়। এরপর দেওয়া হবে পুলিশ, সেনাবাহিনীর জওয়ানদের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।